ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আরতাসের’ যাত্রা শুরু অনুষ্ঠানে শিমুল: ‘স্কীল ডেভেলপড করতে না পারলে আমরা এই ট্রেড থেকে হারিয়ে যাবো’ লিবিয়া থেকে খালী হাতে ফিরেছে ১৬২ হতভাগ্য বাংলাদেশী মালয়েশিয়ার উড়োজাহাজে উঠতে না পারা প্রতারিত শ্রমিকরা কত টাকা ফেরত পাচ্ছেন? জনশক্তি ব্যুরোর ২১ কর্মচারীকে বদলী ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী চার বঙ্গকন্যা আটলান্টিক মহাসাগর থেকে ৮৯ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার আইজিপি পদে আরো এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা কর্মীদের টাকা ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফেরত দেয়ার নির্দেশ ইউক্রেনে জয়ের জন্য রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই মিল্টন সমাদ্দার ৩ দিনের রিমান্ড

সু চির মুক্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২
  • / 794
প্রবাসী কণ্ঠ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে দ্রুত দেশটির গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অন সাং সু চিকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে করোনার বিধিনিষেধ ভঙ্গের অভিযোগে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইজ এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারকে বলেছেন, গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অন সাং সু চি জনগণের ভোটে নির্বাচিত। অন্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তাকেও অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে।

মিয়ানমারে গণতন্ত্রচর্চা সুসংহত করতে যুক্তরাষ্ট্র সু চির দ্রুত মুক্তি চায়।

উল্লেখ্য, সোমবার লাইসেন্সবিহীন ওয়াকিটকি রেখে আমদানি-রপ্তানি আইন লঙ্ঘন এবং সিগন্যাল জ্যামার বসানোর দায়ে সু চিকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর আগে করোনাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ এবং সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গত ডিসেম্বরে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তা কমিয়ে দুই বছর করা হয়।

সু চির সমর্থকরা বলছেন, তার বিরুদ্ধে যেসব মামলা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা সুসংহত করার জন্যই তার রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।

মিয়ানমারের রুদ্ধদ্বার সামরিক আদালতে সু চির বিচার চলছে। সাংবাদিকদের আলাদতে যেমন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, তেমনি সু চির আইনজীবীরাও সংবাদমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দিতে পারছেন না। সু চির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে বাকি জীবন তাকে কারাগারেই কাটাতে হবে। বলা হচ্ছে— এসব মামলায় তার ১০০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মিয়ানমারবিষয়ক গবেষক ম্যান্নি মুয়াং বলেন, জান্তা নিজেদের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দিতে যেসব কারসাজি করছে, এটি তার আরেকটি নমুনা। ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সু চির পপুলার ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) বিপুল বিজয় অর্জন করে। সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, ভোটে জালিয়াতি করে তার দলকে বিজয়ী করা হয়েছে।

দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের পর এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৪০০ বিক্ষোভকারী।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সু চির মুক্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে দ্রুত দেশটির গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অন সাং সু চিকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে করোনার বিধিনিষেধ ভঙ্গের অভিযোগে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইজ এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারকে বলেছেন, গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অন সাং সু চি জনগণের ভোটে নির্বাচিত। অন্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তাকেও অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে।

মিয়ানমারে গণতন্ত্রচর্চা সুসংহত করতে যুক্তরাষ্ট্র সু চির দ্রুত মুক্তি চায়।

উল্লেখ্য, সোমবার লাইসেন্সবিহীন ওয়াকিটকি রেখে আমদানি-রপ্তানি আইন লঙ্ঘন এবং সিগন্যাল জ্যামার বসানোর দায়ে সু চিকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর আগে করোনাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ এবং সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গত ডিসেম্বরে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তা কমিয়ে দুই বছর করা হয়।

সু চির সমর্থকরা বলছেন, তার বিরুদ্ধে যেসব মামলা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা সুসংহত করার জন্যই তার রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।

মিয়ানমারের রুদ্ধদ্বার সামরিক আদালতে সু চির বিচার চলছে। সাংবাদিকদের আলাদতে যেমন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, তেমনি সু চির আইনজীবীরাও সংবাদমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দিতে পারছেন না। সু চির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে বাকি জীবন তাকে কারাগারেই কাটাতে হবে। বলা হচ্ছে— এসব মামলায় তার ১০০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মিয়ানমারবিষয়ক গবেষক ম্যান্নি মুয়াং বলেন, জান্তা নিজেদের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দিতে যেসব কারসাজি করছে, এটি তার আরেকটি নমুনা। ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সু চির পপুলার ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) বিপুল বিজয় অর্জন করে। সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, ভোটে জালিয়াতি করে তার দলকে বিজয়ী করা হয়েছে।

দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের পর এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৪০০ বিক্ষোভকারী।