ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিমানবন্দরে হাদিসুরের ভাইয়ের আহাজারি

  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২
  • / 131
প্রবাসী কণ্ঠ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ও, ভাই। আমার ভাইরে আইনা দেন। ও, ভাই। আমার পড়া‌লেখার খরচ কে চালা‌বে। আমাদের সব শেষ। ভাইরে, আমার ভাই।

কথাগু‌লো বল‌ছি‌লেন ইউ‌ক্রেনে বাংলাদেশের জাহাজে রুশ হামলায় নিহত ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমানের ছোট ভাই গোলাম মাওলা প্রিন্স।

ওই হামলায় বেঁচে যাওয়া ২৮ নাবিককে আজ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দুপুরে তারা ঢাকা পৌঁছেছেন। নিহত ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুরের পরিবার ভেবেছিল এই ২৮ জনের সঙ্গে হাদিসুরের মরদেহও আসবে। সে জন্য তারা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

তবে এখন পর্যন্ত জানা যাচ্ছে, রকেট হামলায় নিহত ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমানের মৃতদেহ নিরাপদ জায়গায় নিয়ে হিমাগারে রাখা হয়েছে এবং পরে সুবিধাজনক সময়ে মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

সেখা‌নে ঢাকা পো‌স্টের স‌ঙ্গে কথা হয় প্রিন্সের। তি‌নি ব‌লেন, আমরা পত্রপ‌ত্রিকায় দে‌খে‌ছি আমার ভাই (মরদেহ) আসবে। আমার ভাই, কখন আসবে সেটা জান‌তে চে‌য়ে‌ছি। কিন্তু তারা কিছুই বল‌ছে না।

প্রিন্স যেখানে কান্নাকাটি করছিলেন তার একটু স‌াম‌নে গেটের বাইরে নিহত না‌বিক হাদিসু‌রের বাবা-মাও কান্নাকাটি করছিলেন। হা‌দিসু‌রের বাবা একবার মে‌ঝে‌তে প‌ড়ে যান। তিনিও আহাজারি করতে থাকেন আমার ছে‌লে‌রে আইনা দাও ব‌লে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিমানবন্দরে হাদিসুরের ভাইয়ের আহাজারি

আপডেট সময় : ০৯:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২

ও, ভাই। আমার ভাইরে আইনা দেন। ও, ভাই। আমার পড়া‌লেখার খরচ কে চালা‌বে। আমাদের সব শেষ। ভাইরে, আমার ভাই।

কথাগু‌লো বল‌ছি‌লেন ইউ‌ক্রেনে বাংলাদেশের জাহাজে রুশ হামলায় নিহত ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমানের ছোট ভাই গোলাম মাওলা প্রিন্স।

ওই হামলায় বেঁচে যাওয়া ২৮ নাবিককে আজ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দুপুরে তারা ঢাকা পৌঁছেছেন। নিহত ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুরের পরিবার ভেবেছিল এই ২৮ জনের সঙ্গে হাদিসুরের মরদেহও আসবে। সে জন্য তারা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

তবে এখন পর্যন্ত জানা যাচ্ছে, রকেট হামলায় নিহত ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমানের মৃতদেহ নিরাপদ জায়গায় নিয়ে হিমাগারে রাখা হয়েছে এবং পরে সুবিধাজনক সময়ে মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

সেখা‌নে ঢাকা পো‌স্টের স‌ঙ্গে কথা হয় প্রিন্সের। তি‌নি ব‌লেন, আমরা পত্রপ‌ত্রিকায় দে‌খে‌ছি আমার ভাই (মরদেহ) আসবে। আমার ভাই, কখন আসবে সেটা জান‌তে চে‌য়ে‌ছি। কিন্তু তারা কিছুই বল‌ছে না।

প্রিন্স যেখানে কান্নাকাটি করছিলেন তার একটু স‌াম‌নে গেটের বাইরে নিহত না‌বিক হাদিসু‌রের বাবা-মাও কান্নাকাটি করছিলেন। হা‌দিসু‌রের বাবা একবার মে‌ঝে‌তে প‌ড়ে যান। তিনিও আহাজারি করতে থাকেন আমার ছে‌লে‌রে আইনা দাও ব‌লে।