ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রবাসী আয়ে গতি কমেছে

  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২
  • / 1575
প্রবাসী কণ্ঠ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৈধ পথে প্রবাসী আয়ে গতি কমেছে। চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে মাত্র ১১০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১১ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ হবে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২০ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৮৪ কোটি ৭১ লাখ ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। আর বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

বরাবরের মতো সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। প্রবাসীরা ব্যাংকটির মাধ্যমে পাঠিয়েছেন ২৬ কোটি ৬১ লাখ ডলার। এরপর অগ্রণী ব্যাংকে ৭ কোটি ৮৪ লাখ, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ছয় কোটি ১৭ লাখ, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকে ছয় কোটি আট লাখ, সোনালী ব্যাংকেও ছয় কোটি আট লাখ এবং রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

এ সময়ের মধ্যে আটটি ব্যাংককের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এগুলো হলো- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, বিদেশি খা‌তের ব্যাংক আল-ফালাহ, কমিউনিটি ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বিভিন্ন ছাড় দেওয়ার পরও গতি কমে যাচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা চলতি অর্থ বছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ১৫৪ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। এই অংক গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

যদিও অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিমাণের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগস্ট মাসে আসে ২০৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। আর জুলাই মাসে আসে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার।

 

 

 

সবশেষ তথ্য অনুসায়ী, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তিন হাজার ৫৯৮ কোটি ডলার। প্রতি মাসে আট বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুদ এ বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে সাড়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রবাসী আয়ে গতি কমেছে

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২

বৈধ পথে প্রবাসী আয়ে গতি কমেছে। চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে মাত্র ১১০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১১ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ হবে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২০ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৮৪ কোটি ৭১ লাখ ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। আর বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

বরাবরের মতো সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। প্রবাসীরা ব্যাংকটির মাধ্যমে পাঠিয়েছেন ২৬ কোটি ৬১ লাখ ডলার। এরপর অগ্রণী ব্যাংকে ৭ কোটি ৮৪ লাখ, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ছয় কোটি ১৭ লাখ, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকে ছয় কোটি আট লাখ, সোনালী ব্যাংকেও ছয় কোটি আট লাখ এবং রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

এ সময়ের মধ্যে আটটি ব্যাংককের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এগুলো হলো- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, বিদেশি খা‌তের ব্যাংক আল-ফালাহ, কমিউনিটি ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বিভিন্ন ছাড় দেওয়ার পরও গতি কমে যাচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা চলতি অর্থ বছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ১৫৪ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। এই অংক গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

যদিও অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিমাণের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগস্ট মাসে আসে ২০৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। আর জুলাই মাসে আসে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার।

 

 

 

সবশেষ তথ্য অনুসায়ী, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তিন হাজার ৫৯৮ কোটি ডলার। প্রতি মাসে আট বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুদ এ বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে সাড়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।