মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১৪ অপরাহ্ন
নোটিস :
Wellcome to our website...

মালয়েশিয়ার পর খুলছে লিবিয়ার শ্রমবাজারও ফ্লাইট আগামী মাসে

রিপোর্টার / ৩২৫ বার
আপডেট : রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

প্রবাসী কণ্ঠ প্রতিবেদক

মধ্যেআফ্রিকার বন্ধ হয়ে যাওয়া দেশ লিবিয়ার শ্রমবাজার উম্মুক্ত হতে যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামি মাসে দেশটিতে কর্মী যাওয়ার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশস্থ লিবিয়া দূতাবাসের চাহিদা অনুযায়ী যেসব এজেন্সী কাগজ (ডকুমেন্টস) জমা দিয়েছেন তাদের মধ্যে থেকে প্রাথমিকভাবে কর্মী প্রেরনের জন্য ১৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে লিবিয়ার বাংলাদেশ দুতাবাস সুত্রে জানা গেছে। যে ১৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে বাংলাদেশস্থ লিবিয়া দূতাবাস চূড়ান্ত করেছে সেগুলো হচ্ছে, এস এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, সুফি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটিড, এএনজেড গ্রুপ মাল্টি মেগা সার্ভিস, সরকার ইন্টারন্যাশনাল, সোনার বাংলা কৃষি খামার, তানেক্স ইন্টারন্যাশনাল, ওয়ান প্লাস ওভারসীস লিমিটেড, আল তামিম ওভারসীস, পাথ ফাইন্ডার ইন্টারন্যাশনাল, অরবিটাল এন্টারপ্রাইজ, মেরি গোল্ড ইন্টারন্যাশনাল, ফেমস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, এ. জে ইন্টারন্যাশনাল, আল রোহান ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরিজম এবং নিউ হ্যাভেন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। এই ১৫টি এজেন্সীকে কর্মী প্রেরনের অনুমতি দেয়ার পাশাপাশি কর্মীর স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য ৫টি মেডিকেল সেন্টারের নামের তালিকাও দুতাবাস চূড়ান্ত করেছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশস্থ লিবিয়া দূতাবাস থেকে অনুমোদন পাওয়া ৫টি মেডিকেল সেন্টার হচ্ছে সাম হেলথ চেক আপ লিমিটেড, আল-মাহা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মিম মেডিকেল সেন্টার, ইর্য়ক হসপিটাল ও পুষ্প ক্লিনিক। লিবিয়ার শ্রমবাজার এর সাথে সম্পৃত্ত একাধিক ব্যবসায়ী প্রবাসী কণ্ঠের প্রতিবেদককে বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর পর দুই সরকারের ইচ্ছা ও কুটনৈতিক প্রচেষ্টায় বন্ধ শ্রমবাজারটি খোলা সম্ভব হয়েছে। এই বাজারটি খুলতে আমাদের মাননিয় প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী ইমরান আহমদ ও সচিব ড. আহমদ মুনিরুছ সালেহীন স্যারসহ সংশ্লিষ্টদের অনেক অবদান রয়েছে। এখন বাজারটি আমাদের ধরে রাখতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, শৃংখলিতভাবে লিবিয়ায় জনশক্তি প্রেরনের জন্য বাংলাদেশস্থ লিবিয়া দূতাবাস রিক্রুটিং এজেন্সির নামের তালিকাগুলো তাদের ডাটাবেইজ এ অন্তর্ভুক্ত করেছে। এরআগে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য দূতাবাস থেকে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আহবান করে। যারা তালিকাভুক্তির জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছে, তাদের মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে ১৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে লিবিয়াতে জনশক্তি প্রেরনের জন্য দূতাবাস তালিজাভুক্ত করে। পর্যায়ক্রমে তারা আরো রিক্রুটিং এজেন্সীর নাম তালিকাভুক্ত করবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে সরকার নির্ধারিত খরচে এ মাসের শেষে নতুবা আগামি অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মী যাওয়া শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করছেন তারা। লিবিয়ার শ্রমবাজারে বিপুল সংখ্যক কর্মী পাঠাতে ঢাকা- ত্রিপোলী সরাসরি বিমান চলাচল চালু করা নিয়েও আলোচনা চলছে। উল্লেখ্য দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলা নিয়ে অনিচ্ছয়তা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত দুই সরকারের চেষ্টায় শ্রমবাজারটি অবশেষে খুলেছে। একইভাবে কুটনৈতিক চেষ্টায় লিবিয়ার শ্রমবাজারটি খোলা সম্ভব হয়েছে। সম্ভবনাময় বাজারটি যাতে কারোর অপপ্রচারে যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে জনশক্তি ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে অভিবাসন খাতের বিশ্লেষকরা। এপ্রসংগে আজ (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিবিয়ার শ্রম উইং সংশ্লিষ্টদের সাথে ঢাকার ১৫ রিক্রুটিং এজেন্সি ও ৫ মেডিকেল সেন্টারের নামের অনুমোদন দেয়ার সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হয়। কিন্ত দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর