যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সম্পর্ক ‘সঠিক পথে’ আছে: বাইডেন

  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩
  • / 62
প্রবাসী কণ্ঠ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যকার সম্পর্ক ‘সঠিক পথেই’ রয়েছে বলে মনে করছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরে এই সম্পর্কের নতুন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

 

বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা এখানে সঠিক পথে আছি। ’

ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরে দুই দেশের সম্পর্কের কোনো অগ্রগতি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অনুভব করি না। ’

অবশ্য ব্লিঙ্কেনের প্রশংসা করে বাইডেন বলেন, ‘তিনি অনেক ভালো কাজ করেছেন। ’

সোমবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এর আগে, দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই-এর সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক ছিল ‘জোরালো’- এবং তাতে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসী যুদ্ধ থেকে শুরু করে আমেরিকার ফেন্টানিল সংকট পর্যন্ত সবই অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বৈঠকে চীনের সঙ্গে ব্লিঙ্কেনের খোলামেলা এবং বিস্তুারিত আলোচনা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এ সফরের মধ্যে দিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে’ অবদান রাখতে পারবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সম্পর্ক ‘সঠিক পথে’ আছে: বাইডেন

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যকার সম্পর্ক ‘সঠিক পথেই’ রয়েছে বলে মনে করছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরে এই সম্পর্কের নতুন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

 

বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা এখানে সঠিক পথে আছি। ’

ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরে দুই দেশের সম্পর্কের কোনো অগ্রগতি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অনুভব করি না। ’

অবশ্য ব্লিঙ্কেনের প্রশংসা করে বাইডেন বলেন, ‘তিনি অনেক ভালো কাজ করেছেন। ’

সোমবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এর আগে, দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই-এর সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক ছিল ‘জোরালো’- এবং তাতে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসী যুদ্ধ থেকে শুরু করে আমেরিকার ফেন্টানিল সংকট পর্যন্ত সবই অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বৈঠকে চীনের সঙ্গে ব্লিঙ্কেনের খোলামেলা এবং বিস্তুারিত আলোচনা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এ সফরের মধ্যে দিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে’ অবদান রাখতে পারবেন।