ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লাশ হয়ে ফিরলেন কুয়েতপ্রবাসী মেজবাহ

  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩
  • / 86
প্রবাসী কণ্ঠ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জিসান মাহমুদ ,  কুয়েত
প্রকাশিত: ০৪:৩৮ পিএম, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

গত ১৯ মার্চ কুয়েতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান মেজবাহ। দীর্ঘ ১৫ দিন তার মরদেহ মর্গে থাকলেও কেউ জানতেন না তিনি মারা গেছেন। পরিবার বহু খোঁজাখুঁজি করে ৪ এপ্রিল দূতাবাসের মাধ্যমে জানতে পারে তিনি আর বেঁচে নেই। ১৪ এপ্রিল (শুক্রবার) আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়।

মেজবাহ উদ্দিন বরিশালের দক্ষিণ আলেকান্দা কাজীপাড়ার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের হারুন অর রশিদের ছেলে। কুয়েতে তার কয়েকটি গাড়ি রয়েছে। তিনি নিজেও হাফ লরি চালাতেন।

নিহতের মামাতো ভাই রিশাত বলেন, আমার ফুফাতো ভাই মেজবাহ প্রায় দুইযুগ আগে কুয়েত পাড়ি জমান। এর ভেতর একবারের জন্যও দেশে আসেননি। ঈদের পর ওনার ছোট ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ আর হয়ে উঠলো না। তার আগেই ওনার কফিনবন্দি মরদেহ পেলাম আমরা।

তিনি বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর ভাইয়ের পরিচিত আরেক কুয়েতপ্রবাসী আমাদের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে না করেছিল। আমাদের বলা হয়েছে তিনি জেলখানায় আছেন। পরে আমরা বাধ্য হয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে জানতে পারি উনি মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। এমনকি মেজবাহ ভাইয়ের বাসায় ছোট ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে কেনা ৬ ভরি সোনার গহনা পর্যন্ত চুরি হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাশ হয়ে ফিরলেন কুয়েতপ্রবাসী মেজবাহ

আপডেট সময় : ১১:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

জিসান মাহমুদ ,  কুয়েত
প্রকাশিত: ০৪:৩৮ পিএম, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

গত ১৯ মার্চ কুয়েতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান মেজবাহ। দীর্ঘ ১৫ দিন তার মরদেহ মর্গে থাকলেও কেউ জানতেন না তিনি মারা গেছেন। পরিবার বহু খোঁজাখুঁজি করে ৪ এপ্রিল দূতাবাসের মাধ্যমে জানতে পারে তিনি আর বেঁচে নেই। ১৪ এপ্রিল (শুক্রবার) আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়।

মেজবাহ উদ্দিন বরিশালের দক্ষিণ আলেকান্দা কাজীপাড়ার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের হারুন অর রশিদের ছেলে। কুয়েতে তার কয়েকটি গাড়ি রয়েছে। তিনি নিজেও হাফ লরি চালাতেন।

নিহতের মামাতো ভাই রিশাত বলেন, আমার ফুফাতো ভাই মেজবাহ প্রায় দুইযুগ আগে কুয়েত পাড়ি জমান। এর ভেতর একবারের জন্যও দেশে আসেননি। ঈদের পর ওনার ছোট ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ আর হয়ে উঠলো না। তার আগেই ওনার কফিনবন্দি মরদেহ পেলাম আমরা।

তিনি বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর ভাইয়ের পরিচিত আরেক কুয়েতপ্রবাসী আমাদের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে না করেছিল। আমাদের বলা হয়েছে তিনি জেলখানায় আছেন। পরে আমরা বাধ্য হয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে জানতে পারি উনি মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। এমনকি মেজবাহ ভাইয়ের বাসায় ছোট ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে কেনা ৬ ভরি সোনার গহনা পর্যন্ত চুরি হয়ে গেছে।