নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী আমিরাত

  • আপডেট সময় : ০১:০২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩
  • / 80
প্রবাসী কণ্ঠ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। সফররত সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প ও উন্নত প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. সুলতান আহমেদ আল জাবের আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকশেষে আমিরাতের মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, “আমরা প্রচলিত জ্বালানির পাশাপাশি জ্বালানি খাতে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি খুবই আগ্রহী।”
জ্বালানি কোম্পানি মাসদার-এর চেয়ারম্যান এবং আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির (এডিএনওসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডক্টর সুলতান আহমেদ বলেছেন, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে দুটি দল পাঠাবেন- একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলোচনার জন্য এবং অন্যটি ব্যবসা নিয়ে আলোচনার জন্য। বৈঠকে তারা মূলত অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।
আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত এবং ২৮ তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস (কপ২৮) এর মনোনীত প্রেসিডেন্ট ড.সুলতান আহমেদ জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং এ বিষয়ে তাঁর আরও সমর্থন কামনা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জলবায় পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তা ইস্যুতে সহায়তা বাড়ানোরও অনুরোধ করেন। ‘আমরা একটি গেম চেঞ্জার হতে চাই ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কপ২৮ এর আগে সমস্যা সমাধানের জন্য জলবায়ু তহবিল সংগ্রহের উপর জোর দিচ্ছেন। এরপর তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সবুজ করা হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কপ২৮ থেকে একটি ইতিবাচক প্রভাব পেতে চান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কপ২৮ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সম্মেলনে প্যারিস চুক্তির বৈশ্বিক স্টকটেক নিয়ে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, ইউএই প্রেসিডেন্সি ১.৫ ডিগ্রী তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য বিশ্বব্যাপী জলবায়ু কর্মপন্থাকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি এবং তার পাশাপাশি বিশাল ব্যবধানের একটি বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল রয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হামুদি উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী আমিরাত

আপডেট সময় : ০১:০২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। সফররত সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প ও উন্নত প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. সুলতান আহমেদ আল জাবের আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকশেষে আমিরাতের মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, “আমরা প্রচলিত জ্বালানির পাশাপাশি জ্বালানি খাতে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি খুবই আগ্রহী।”
জ্বালানি কোম্পানি মাসদার-এর চেয়ারম্যান এবং আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির (এডিএনওসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডক্টর সুলতান আহমেদ বলেছেন, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে দুটি দল পাঠাবেন- একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলোচনার জন্য এবং অন্যটি ব্যবসা নিয়ে আলোচনার জন্য। বৈঠকে তারা মূলত অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।
আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত এবং ২৮ তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস (কপ২৮) এর মনোনীত প্রেসিডেন্ট ড.সুলতান আহমেদ জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং এ বিষয়ে তাঁর আরও সমর্থন কামনা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জলবায় পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তা ইস্যুতে সহায়তা বাড়ানোরও অনুরোধ করেন। ‘আমরা একটি গেম চেঞ্জার হতে চাই ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কপ২৮ এর আগে সমস্যা সমাধানের জন্য জলবায়ু তহবিল সংগ্রহের উপর জোর দিচ্ছেন। এরপর তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সবুজ করা হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কপ২৮ থেকে একটি ইতিবাচক প্রভাব পেতে চান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কপ২৮ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সম্মেলনে প্যারিস চুক্তির বৈশ্বিক স্টকটেক নিয়ে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, ইউএই প্রেসিডেন্সি ১.৫ ডিগ্রী তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য বিশ্বব্যাপী জলবায়ু কর্মপন্থাকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি এবং তার পাশাপাশি বিশাল ব্যবধানের একটি বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল রয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হামুদি উপস্থিত ছিলেন।