সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

এজেন্সীর প্রোফাইল মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে দুতাবাসে জমা দেয়া যাবে- সৌদি রাষ্ট্রদূত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

যেসব রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিক এখনো তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল সৌদি দুতাবাসে জমা দেননি তারা নতুন করে মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে সেই ফাইল জমা দিতে পারবেন। তারা যখন জমা দিবেন তখনই তাদের ফাইল জমা নেয়া হবে। এরপরই তারা আবারো কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈশা ইউসেফ আলদুহাইলানের সাথে শ্রমবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তার দফতরে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সীজ (বায়রা) এর সাবেক সভাপতি বেনজির আহমদ এমপি ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী নোমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাত করতে গেলে রাষ্ট্রদূত তাদের এ কথা বলেন। প্রতিনিধি দলে গ্রীনল্যান্ড ওভারসীজের স্বত্তাধিকারী ও বায়রার সাবেক সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুল হাই ও দুতাবাসের হেড অফ কাউন্সেলর সেকশনের সাদ আলসাম্মারী উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে বায়রার কমিটি বিলুপ্ত করে প্অরশাসক দিয়ে অফিসিয়াল কার্যক্রম চলছে।

গতকাল (শুক্রবার) গ্রীনল্যান্ড ওভারসীজের স্বত্তাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা  মোহাম্মদ আব্দুল হাই বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাথে আমরা সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে তিনি আমাদের সাথে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে শ্রমবাজার, রিক্রুটিং এজেন্সীর কার্যক্রম ও কর্মীদের সৌদি যাওয়ার পর কোয়ারেন্টাইন প্রসঙ্গ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ থেকে আরো বেশী সংখ্যক কর্মী নেয়ার কথা জানিয়ে আমাদের বলেছেন, যেসমস্ত এজেন্সী এখনো দুতাবাসের চাহিদা মোতাবেক আপডেট করা ফাইল সাবমিট করেনি তাদেরকে মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ফাইল জমা দেয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন।

এরআগে অবশ্য ৩ দফা এজেন্সী মালিকদেরকে সরাসরি ফাইল সাবমিট করার সুযোগ দিলেও অনেকে জমা দেয়নি। ফাইল আপডেট হচ্ছে যেমন একটি রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিক এবং প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট, ম্যাজেনারের শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।

তিনি বলেন, এটি জমা দিতে প্রথমে এক মাস সময় দেয়া হলো। তারা জমা দেননি। আবার এক মাস সময় বাড়ালো। তখনও জমা দিতে পারেনি। আবার ১৫ দিন সময় দিযেছে। তারপরও তারা জমা দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, যারা ফাইল জমা দিতে পারেনি তারা কাজ করতে পারবে না। তাদের কাগজপত্র এ্যাম্বেসী নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে ৬০০ রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিক আপডেট ফাইল দুতাবাসের সংশ্লিষ্ট সেকশনে জমা দিয়েছেন। তারা কাজ করতেছেন। এখন দুতাবাস বলছে, তোমরা যারা জমা দিতে পারোনি তারা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে জমা দাও।

রাষ্ট্রদূত বলেছেন, এজেন্সী মালিকরা যেই দিন জমা দিবে সেইদিনই তারা জমা নেবে। এই পর্যন্ত মিনিষ্ট্রির মাধ্যমে ৩৪ জন এজেন্সী মালিক ফাইল জমা দিয়েছে। তাদেরকে অন্তর্ভূক্ত করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত আমাদের সাথে আলোচনায় আরো বলেছেন, এই প্যানডামিকের সময় দুতাবাস থেকে ৩ হ্জাার করে প্রতিদিন ভিসা স্ট্যাম্পিং হচ্ছে। তিনি লিষ্টেট এবং এনলিষ্টেট সবাইকে নিয়ে উম্মুক্তভাবে কাজ করতে চান এবং আরো নতুন এজেন্সী হলেও সবাইকে ওপেন করে দেবেন করোনা ভাইরাসের পরে।

বৈঠকে বাংলাদেশী কর্মীরা সৌদি আরব যাওয়ার পর কোয়ারেন্টাইন পাওয়া প্রসঙ্গে বলেছেন, সৌদি কর্তৃপক্ষকে তিনি বলেছেন। তার বক্তব্য হলো, আমি রিকোয়েস্ট করেছি আমার সরকারকে, কোম্পানীদেরকে শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন দেয়ার জন্য। এবং তার কথায় অনেকে দেয়া শুরু করেছেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে আমাদের সর্ম্পক অনেক ভালো। আমাদের দেশে সৌদি আরবের বিখ্যাত ফাষ্টফুড হারফি রেষ্টুরেস্ট ভালোভাবেই চলতেছে। আরো অনেকগুলো কোম্পানীর সাথেও আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে। রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য হচ্ছে শুধু লোক নেয়া নয়, বাংলাদেশের সাথে পার্টনারশীপে বহু কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের|

 

 

 

 

সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুন

© All rights reserved © Zahir-01743535311