ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর ডিজি হলেন হুমায়ুন কবির চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ালো নভোএয়ার ঢাকা-৫ আসন : ধানের শীষ নবী উল্লা, দাঁড়িপাল্লা পেলেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিকে প্রতিযোগিতাপূর্ণ করতে হলে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন সৌদির শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য সংকুচিত হচ্ছে জংগল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের নির্মুল করা হবে: র্যাব ডিজি কড়াইল বস্তিবাসীকে ফ্ল্যাট উপহার দেয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের বায়রা নির্বাচন স্থগিত, প্রচারনায় এগিয়ে সেলিম-ফখরুল প্যানেল মালয়েশিয়ায় প্রবাসী কর্মী নিয়োগে ১ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন নীতিমালা গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিসক সংকট, রোগিরা দিশেহারা

প্রেমের টানে গাজীপুরে মার্কিন যুবক

  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০২২
  • / 498
প্রবাসী কণ্ঠ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজীপুর: প্রেমের টানে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে গাজীপুরে এসেছেন আমেরিকান যুবক রাইয়ান কফম্যান। ২৯ মে তিনি বাংলাদেশে আসেন।

 

রাইয়ান যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের ক্যানসাস সিটির নাগরিক।

সাইদা ইসলামে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বাসন থানার ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকার মৃত সিকন্দার আলীর মেয়ে।

সাইদা ইসলামের নানা মোশারফ হোসেন মাস্টার জানান, সাইদা ইসলামের বাবা ঢাকার দনিয়া এলাকার বাসিন্দা সিকন্দার আলী। তিনি ২০১৯ সালে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর সাইদা ইসলাম তার মা ও তার ছোট বোনকে নিয়ে ঢাকা থেকে গাজীপুরের ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকায় আমার বাসায় চলে আসেন। এখন এখানেই তারা বসবাস করছেন। বাবা মারা যাওয়ার এক বছর পর ২০২০ সালে মানবিকে স্নাতক করেন সাইদা ইসলাম।

সাইদা ইসলাম বলেন, ২০২১ সালে এপ্রিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথম পরিচয় রাইয়ান কফম্যানের সঙ্গে। পরে নিজেদের ফোন নম্বর ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি ও এড্রেস বিনিময় করি। এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ হতো আমাদের। ফেসবুক ও ফোন নম্বরে এবং ভিডিও কলে কথা বলতে বলতে এক সময় আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর ফেসবুকে প্রেম করে দু’জনে সিদ্ধান্ত নেই বিয়ে করার। পরে রাইয়ান বিয়ে করার জন্য তার দেশে খ্রিস্টধর্ম ত্যাগ করে নিয়ম মেনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে তার ও আমার পরিবারের সম্মতিতে ২৯ মে আমেরিকা থেকে গাজীপুর পৌঁছান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে রাইয়ান আমার সঙ্গে নানা বাড়িতে আসেন। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। বর্তমানে আমরা নানা-বাড়িতেই আছি।

আমেরিকা থেকে সুদর্শন ও ৬ ফুট উচ্চতার এ যুবক গাজীপুর এসে তরুণীকে বিয়ের খবরে উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রেমের টানে গাজীপুরে মার্কিন যুবক

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০২২

গাজীপুর: প্রেমের টানে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে গাজীপুরে এসেছেন আমেরিকান যুবক রাইয়ান কফম্যান। ২৯ মে তিনি বাংলাদেশে আসেন।

 

রাইয়ান যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের ক্যানসাস সিটির নাগরিক।

সাইদা ইসলামে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বাসন থানার ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকার মৃত সিকন্দার আলীর মেয়ে।

সাইদা ইসলামের নানা মোশারফ হোসেন মাস্টার জানান, সাইদা ইসলামের বাবা ঢাকার দনিয়া এলাকার বাসিন্দা সিকন্দার আলী। তিনি ২০১৯ সালে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর সাইদা ইসলাম তার মা ও তার ছোট বোনকে নিয়ে ঢাকা থেকে গাজীপুরের ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকায় আমার বাসায় চলে আসেন। এখন এখানেই তারা বসবাস করছেন। বাবা মারা যাওয়ার এক বছর পর ২০২০ সালে মানবিকে স্নাতক করেন সাইদা ইসলাম।

সাইদা ইসলাম বলেন, ২০২১ সালে এপ্রিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথম পরিচয় রাইয়ান কফম্যানের সঙ্গে। পরে নিজেদের ফোন নম্বর ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি ও এড্রেস বিনিময় করি। এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ হতো আমাদের। ফেসবুক ও ফোন নম্বরে এবং ভিডিও কলে কথা বলতে বলতে এক সময় আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর ফেসবুকে প্রেম করে দু’জনে সিদ্ধান্ত নেই বিয়ে করার। পরে রাইয়ান বিয়ে করার জন্য তার দেশে খ্রিস্টধর্ম ত্যাগ করে নিয়ম মেনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে তার ও আমার পরিবারের সম্মতিতে ২৯ মে আমেরিকা থেকে গাজীপুর পৌঁছান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে রাইয়ান আমার সঙ্গে নানা বাড়িতে আসেন। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। বর্তমানে আমরা নানা-বাড়িতেই আছি।

আমেরিকা থেকে সুদর্শন ও ৬ ফুট উচ্চতার এ যুবক গাজীপুর এসে তরুণীকে বিয়ের খবরে উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমান।