থাইল্যান্ডে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগে অগ্রাধিকারের আহবান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আজ মঙ্গলবার (৩ জুলাই) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার এনডিসি’র সাথে দেশটির শ্রম মন্ত্রনালয়ের ডেপুটি পার্মানেন্ট সেক্রেটারী ভিভাথানা থেংহং এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এ বৈঠকে সচিব নমিতা হালদার থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগে অগ্রাধিকার দেয়ার জন্য আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, থাইল্যান্ডে আসিয়ানভ’ক্ত দেশের শ্রমিকদের পরই বাংলাদেশের শ্রমিক নিয়োগ হতে পারে। বাংলাদেশ এই মুহুর্তে মৎস্য ও মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পোশাকখাত, নির্মাণখাত, নার্সিং, কৃষি, গৃহস্থালি কাজকর্মসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ ও স্বল্প দক্ষ কর্মী নিয়োগে সক্ষম।

এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে দেশটির শ্রম মন্ত্রনালয়ের ডেপুটি পার্মানেন্ট সেক্রেটারীর সাথে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলেও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণ মন্ত্রনালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ওই বৈঠকের পরই প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার এনডিসি’র সাথে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য, শিল্প এবং শ্রম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি জেনারেল সিংসাক সিংপাই এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সভাপতি জেনারেল সিংসাক সিংপাই থাইল্যান্ডে মৎস্য ও নির্মাণ (কন্সট্রাকশান) খাতে প্রচুর শ্রমিক ঘাটতি রয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগের ব্যাপারে ইচ্ছা পোষন করেন। প্রবাসী কল্যাণ সচিব জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে মৎস্য ও নির্মাণ (কন্সট্রাকশান) খাত ছাড়াও নার্সিং, আতিথেয়তা (হোটেল ওয়ার্কার), শিল্প (ইন্ডাস্ট্রি), কৃষি, তৈরি ও পোশাক খাতে প্রচুর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মী রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, থাইল্যান্ড চাইলে ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে কর্মীদের ভাষা শিখিয়ে থাইল্যান্ডে নিয়োগ দেয়া সম্ভব। বৈঠকে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মিস সাদিয়া মুনা তাসনিম এবং প্রথম সচিব (শ্রম) এ কে এম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ১ জুলাই বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকদের সাথে প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. নমিতা হালদার মতবিনিময় করেছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত।