বিদেশে কর্মী প্রেরণে নিয়োগ প্রক্রিয়া অটোমেশন করার প্রক্রিয়া : প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিবাসন ব্যয় কমানো ও অভিবাসন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার বিদেশে কর্মী প্রেরণে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অটোমেশন করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের ডাটাবেজ তৈরি, বর্হিগমন ছাড়পত্র প্রদান, স্মার্ট কার্ড প্রদানসহ ফিঙ্গারপ্রিন্ট কার্যক্রমকে ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। এছাড়াও সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদানসহ স্মার্ট কার্ড প্রদান কার্যক্রমকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বারিধারা কূটনৈতিক এলাকার একটি হোটেলে “ওভারসীস এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারস-এ্যালায়েন্স অফ এশিয়ান এসোসিয়েশনস এর দুই দিনব্যাপি পঞ্চম আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, অভিবাসন খাতের নেতৃত্বকারী হিসেবে ওইএসপিএএএ কে বিদেশে কর্মী প্রেরণে নৈতিক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরো জোড়ালোভাবে দেখাতে হবে।

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন আইওএম বাংলাদেশ এর ডেপুটি চীফ অব মিশন মি. আব্দুস সাত্তার ইসোভ। এছাড়াও বক্তব্য দেন ওইএসপিএএএ এর চেয়ার ও বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনের পক্ষে মাইগ্রেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট সাউথ এন্ড সাউথ ইস্ট, এম্বাসি অব সুউজারল্যান্ড টু বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম অফিসার মি. আনিন্দা দত্ত।

এবারের সম্মেলনে এশিয়ার বিদেশে কর্মী প্রেরণকারী ১২টি দেশের সংগঠন ওইএসপিএএএ এর ২৪ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন। আইওএম বাংলাদেশ এ সম্মেলনের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্থান, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম। উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে ওইএসপিএএএ এর কার্যক্রম চালু হয় বলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।