২০১৭ সালে ১০ লাখ শ্রমিক বিদেশ গেছে

p-minister

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে ১৬ কোটির অধিক জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মক্ষম (ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট)। প্রতি বছর ২০-২২ লাখ জনবল আমাদের কর্মবাজারে প্রবেশ করে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সুষ্ঠু অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বিদেশের শ্রমবাজারে কর্মক্ষম জনবলের একটি বড় অংশের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি বাংলাদেশের ৪১ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে ২০১৭ সালে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্র নালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞািপ্ততে জানানো হয় এবছর বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থান নিয়ে ১০ লাখের বেশী কর্মী বিদেশ (৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ১০,০৪,১৬৩ জন) পাড়ি জমিয়েছে।

এর আগে ২০০৮ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মী বিদেশ গমন করেছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি দিক নিদের্শনা এবং দক্ষ শ্রম কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিগত ৯ বছরে (জানুয়ারি ২০০৯ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭) মোট প্রায় ৫২ লাখ জন কর্মী কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশ গমন করেছে। যার মধ্যে ২০১৭ সালেই ১০ লাখের অধিক কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে।

পরিসংখ্যান উল্লেখ করে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত কর্মী গেছে সৌদি আরবে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ (সর্বোচ্চ সংখ্যক), মালয়েশিয়ায় ১ লাখ, ওমানে প্রায় ৯০ হাজার এবং কাতার ৮২ হাজার জন। এসময়ের মধ্যে নারী কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার। যার মধ্যে সৌদি আরবে গিয়েছে প্রায় ৮৩ হাজার, জর্ডানে প্রায় ২০ হাজার এবং ওমানে প্রায় ৯ হাজার জন। এ সময় (জানুয়ারি ২০০৯ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭) কর্মীদের প্রেরিত রেমিটেন্স-এর পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (নভেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত)। যার মধ্যে ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১২ হাজার ৩শত ৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০১৭ সালে কর্মী প্রেরণে সংখ্যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি। বর্তমান সরকারের শ্রম কূটনৈতিক সাফল্য অনেক বেশি ছিল জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় জি টু জি প্লাস প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হয়েছে। মালয়শিয়ায় ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ কর্মী চলে গেছে। ১০ আগষ্ট ২০১৬ সালে সৌদি সরকার বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মী গ্রহণের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়।