মৃত্যুর পর তিন মাসের সময় একটি স্মরণসভা করে দায় সেরেছে দলটি

প্রবাসীকণ্ঠ ডেস্ক:
নারায়ণগঞ্জ বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুম মো. হানিফ কবিরকে তার মৃত্যুর ৫ বছরের মধ্যেই তাকে একেবারে ভুলে গেছে জেলা ও মহানগর বিএনপি। মৃত্যুর পর তিন মাসের সময় একটি স্মরণসভা করে দায় সেরেছে দলটি। তবে ভুলে গেছে মানতে নারাজ মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল।
মিশনপাড়া নিবাসী মরহুম মো. হানিফ কবির বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্নে নারায়ণগঞ্জ শহর বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তিতে তিনি জেলা ও মহানগর বিএনপির সহ সভাপতির দায়িত্বও পালন করে।
তোলারাম বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ ও নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের সাবেক এই ভিপি ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর তিন মাস পরে তাকে নিয়ে একটি স্মরণসভা করে বিএনপির তৎকালীন নেতৃবৃন্দ। তার পর থেকে বিএনপির স্মরণ থেকে হারিয়ে গেছে বিএনপির নিবেদিত প্রান এই নেতা। স্মরণসভায় এড. তৈমূর আলম খন্দকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তৎকালীন সময়ের শহর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল ছিলেন সেই স্মরণসভায়। মৃত্যুর পাঁচ বছর অতিবাহিত হতে চললো। ভুলেই গেছে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ মো. হানিফ কবিরকে। এই পাঁচ বছরে তাকে একটি বারের জন্য স্মরণ করেনি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মরহুম মো. হানিফ কবিরের একমাত্র পুত্র মো. সায়েম কবির বলেন, বাবা মারা যাওয়ার পর তিন মাসের সময় বিএনপি থেকে একটি স্মরণসভা করা হয়েছিল। এরপর তারা বাবাকে নিয়ে আর কোন আলোচনা বা অন্য কোন অনুষ্ঠানে বাবাকে স্মরণ করেছে কিনা আমি জানি না।
তবে ভুলে যাওয়ার বিষয়ে দ্বিমত পোষন করে মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত বছরও তাকে নিয়ে হোসিয়ারি সমিতিতে স্মরণসভা করা হয়েছে। হয়তো সেভাবে করা হয়নি। যার কারনে প্রচারে আসেনি। কিছু দিন আগেও হানিফ কবির সাহেবসহ বিএনপির প্রয়াত নেতাদের স্মরণে দোয়া মাহফিল করা হয়েছে। আগামীকাল (২৭ ডিসেম্বর) তার পরিবারই তাকে নিয়ে একটি দোয়া মাহফিল করবে। একই দিন সবাই করলে কেমন দেখায় আমরা কয়েকদিন পরে করবো। আমাদের চিন্তায় আছে তাকে নিয়ে আমরা স্মরণসভা করবো। এবং তা অচিরেই করবো। আর আমাদের পূর্বতন নেতাদের আমাদের স্মরন করা উচিত তা না হলে ভবিষ্যতে আমাদেরও কেউ স্মরণ করবে না।