মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানীতে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’

baira logo

প্রবাসী কণ্ঠ প্রতিবেদক

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানীতে গতি আনতে এবার ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু হতে যাচ্ছে। কাকরাইল এবং ইস্কাটনের বায়রা অফিস থেকে এই সার্ভিস দেয়া হবে। আজ শনিবার গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলের বলরুমে জনশক্তি রফতানীকারকদের সংগঠন বায়রার কার্যনির্বাহী কমিটির সাথে সাধারণ সদস্যদের (রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিক) খোলামেলা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে শ্রমিক রফতানীতে অভিবাসন ব্যয় নিয়ে সুষ্পষ্ট মতামত না উঠে আসার কারণে চুড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি। তবে এবিষয়ে কাজ করার জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করার ব্যাপারে সবাই ঐক্যমত্য পোষন করেছেন বলে জানা গেছ্।
আজ (৫ নভেম্বর) শনিবার রাতে জনশক্তি রফতানীকারকদের সংগঠন বায়রার মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন প্রবাসী কণ্ঠকে জানান, যারা মালয়েশিয়াতে ব্যবসা করে তারা আমাদের লাইসেন্সে কাজ আনতে পারবে। তবে আমাদের কাছে যাতে না আসা লাগে সেজন্য আমরা এবার ওয়ান স্টপ সেন্টার করে দিচ্ছি। সে নিজেই তার রেজিস্ট্রেশন, মেডিকেল করাতে পারবে, মোট কথা শ্রমিক রফতানীতে যা যা করার প্রয়োজন তার সব প্রক্রিয়াগুলো যাতে তারা নিজেরাই করতে পারে, সেই সুবিধাই তারা এখন থেকে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমেই পাবে। ২ নম্বর কথা হচ্ছে, তার কাজগুলো যেন সে স্বল্প খরচে আমাদের মাধ্যমে প্রসেসিং করাতে পারবে। এসব বিষয়ই মূলত আলোচনা হয়েছে।

এরআগে জনশক্তি রফতানীকারক আল রাবেতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্তাধিকারী আবুল বাশারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রবাসী কণ্ঠকে বলেন, আজকে ওয়েস্টিনে মালয়েশিয়ার ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে যে ১০ সিন্ডিকেট তাদের সাথে আমাদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে সাধারণ মেম্বারদের মধ্যে ৬০০ জন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নুর আলী, বায়রার সভাপতি বেনজির আহমদ, মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন, আল ইসলাম ওভারসীসের জাফর চৌধুরীসহ ১০ রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিক উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে সিন্ডিকেটের এন্টি হিসাবে বায়রার সাবেক সভাপতি আবুল বাশার, এভিয়েট ইন্টারন্যাশনালের নুরুল আমিনসহ অনেকেই উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৈঠকে সাধারণ সদস্যরা অভিবাসন ব্যয় নিয়ে কথা বলেছেন। তারা বলেছেন, সরকার যে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করে দিয়েছেন তার থেকে একটি টাকাও তারা বেশী দেবেন না। কিন্তু তারা বলছেন, তাদেরকে মালয়েশিয়ার প্রসেসিঙ ফি বাবদ ৫ হাজার রিংগিট এবং ঢাকায় বিজনেস প্রসেসিং বাবদ ৩ হাজার রিংগিট দিতে হবে। আমরা বলেছি এটা কোনদিনও সম্ভব না। এব্যাপারে তারা কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি। এরজন্য তারা আমাদের কাছে ৩ দিনের সময় নিয়েছেন । তিনদিন পর তারা জানাবেন। আর অভিবাসন ব্যয় কত কমানো যায় সেজন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এসব ব্যাপারে বায়রার মহাসচিব প্রবাসী কণ্ঠকে বলেন, আজকের আলোচনার বিষয়বস্তুই ছিলো ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার স্থাপন করা নিয়ে। এবং এজিএম এর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে। ৩ দিনের সময়, অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণসহ কোন বিষয় নিয়েই কোন আলোচনাই হয়নি।