`দশ লাইসেন্সকে ট্যাক্স দিয়েই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে হবে’

mal city

বিশেষ প্রতিবেদক

‘দশ লাইসেন্সকে ট্যাক্স দিয়েই আমাদের এজেন্সীগুলোকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর কাজ করতে হবে। ওদের ব্যবসায়িক পলিসির হিসেবে আমরা কিন্তু ব্রোকারই রয়ে গেলাম’।

জনশক্তি রফতানীকারকদের সংগঠন বায়রার সাবেক মহাসচিব মনসুর আহমদ কালাম মঙ্গলবার বিকেলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণ মন্ত্রনালয়ে প্রবাসী কণ্ঠকে এমন হতাশার কথা জানিয়ে বলেন, দশ লাইসেন্সের মালিকরা চাচ্ছেন, সিন্ডিকেট না ভাঙ্গা পর্যন্ত বোয়েসেলের মতো ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করতে। তাদের গ্রুপে না-কি নতুন করে আর কোন রিক্রুটিং এজেন্সীকে অর্ন্তভ’ক্ত করার সুযোগ নাই। তবে মালয়েশিয়ায় গিয়ে যে কোন রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিক বা তাদের প্রতিনিধিরা মার্কেটিং করতে পারবেন। এমন সুযোগ এবার তারা দিতে রাজী হয়েছেন বলে ২৮ অক্টোবর বায়রার এজিএমের বক্তব্য কেউ কেউ বলেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল শনিবার ওয়েস্টিন হোটেলে আবার মিটিং ডাকা হয়েছে। সেখানেই বিষয়টির চুড়ান্ত করা হবে। তাদের এই ফর্মুলায় সাধারণ সদস্যরাও উপায় না পেয়ে রাজী আছেন।

উল্লেখ্য চলতি বছরের ১০ মার্চ জি টু জি প্লাস পদ্ধতিতে ৯৮ শ্রমিক নিয়ে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্য প্রথম ফাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এরপর থেকে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রায় ৪৭ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্য দেশ ত্যাগ করেন। শুরু থেকেই অভিযোগ উঠেছে, সরকার শ্রমিক রফতানীর জন্য সহস্রাধিক রিক্রুটিং এজেন্সীর লাইসেন্স এর অনুমতি দিলেও বর্তমানে অভিনব কৌশলে মাত্র ১০ টি রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিক মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানীর সুযোগ পাচ্ছে। এনিয়ে শ্রমবাজারে ব্যাপক অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্তও গড়ায়। এই অবস্থায় পরবর্তী করনীয় কি হতে পারে তা নিয়ে জনশক্তি রফতানীকারকদের সংগঠন বায়রার বর্তমান ও সাবেক নেতাসহ সাধারণ সদস্যরা আগামী শনিবার ওয়েস্টিনের মালয়েশিয়ার জনশক্তি রফতানীর সাথে সম্পৃত্ত ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিকের উপস্থিতিতেই চুড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

গঠন গতকাল জনশক্তি রফতানীকারকদের সংগঠন বায়রার কার্যনির্বাহী কমিটির একজন সদস্য প্রবাসী কণ্ঠকে জানান, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাওয়ায এই সেক্টরের ব্যবসায়ীরা এখন হতাশ। তবে অধিকাংশ সদস্য চাচ্ছেন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে যাতে সবাই ব্যবসা করতে পারে। সেই লক্ষ্যে শনিবার ওয়েস্টিন হোটেলে আবারো মিটিং ডাকা হয়েছে। প্

রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার জানা মতে, ১ লাখ ৩০ হাজার চাহিদাপত্র এসেছে। এরমধ্যে ৪৭ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়া চলে গেছে। বাকীগুলো প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি একজন লাইসেন্স হোল্ডার। কিন্তু মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে হবে সাব এজেন্ট হয়ে। এর চেয়ে আর দু:খ কি থাকতে পারে বলেন ? আমিও চাই সবাই যেনো এই ব্যবসা করতে পারে।

আজ রাতে জনশক্তি রফতানীকারকদের সঙগঠন বায়রার মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন এর সাথে যেোগাযেোগ করা হলে তার বকত্ব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তার অফিস থেকে জানানো হয় তিনি মালয়েশিয়াতে আছেন।