জিটুজি প্লাসে সাড়ে তিন লাখ টাকায় কর্মী যাচ্ছে : দেখার কেউ নেই

প্রবাসী কল্ঠ ডেস্ক

জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত দশ রিক্রুটিং এজেন্সি’র মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় গমনেচ্ছু কর্মীদের কাছ থেকে গলাকাটা হারে টাকা আদায় করা হচ্ছে। জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় প্রথমে মাত্র ৩৭ হাজার টাকা ব্যয়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ডাক-ঢোল পেটানো হলেও বর্তমানে কর্মীদের চড়া অভিবাসন ব্যয়ের টাকা জোগাড় করতে গলদঘর্ম পোহাতে হচ্ছে। একাধিক জনশক্তি রফতানিকারক এতথ্য জানিয়েছেন। শিগগিরই মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে দশটি এজেন্সি’র মাধ্যমে বায়ো রিক্রুটিং পদ্ধতি চালু করা হলে একজন কর্মীকে ব্যাংকের মাধ্যমে ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা জমা দিয়ে মালয়েশিয়ায় যেতে হবে।আগামী জুন মাস থেকে প্রতিমাসে কমপক্ষে ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে বলে আভাস পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিকে মালয়েশিয়া থেকে কর্মী নিয়োগের প্রতি চাহিদাপত্র কিনে আনতে তিন হাজার রিংগিট ব্যয় করতে হচ্ছে। বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সি’ মালয়েশিয়া থেকে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের অনুমতিপত্র কিনে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। দশটি রিক্রুটিং এজেন্সি’র কাছে এসব চাহিদাপত্র প্রক্রিয়া করতে গেলে জনপ্রতি দু’লাখ টাকা করে দাবী করা হচ্ছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে দর কষাকষি হচ্ছে। এতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন ব্যয় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে যে এসব দেখার কেউ নেই।

দীর্ঘ নয় বছর মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানি বন্ধ থাকার পর গত ১০ মার্চ থেকে গুটি কয়েক রিক্রুটিং এজেন্সি’র মাধ্যমে জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হয়। ১০ মার্চ থেকে এযাব ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি’র মাধ্যমে ১৪শ’ ৯২জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছে । চলতি মাসে ৩ হাজার কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়। আগামী জুন মাস থেকে এ প্রক্রিয়ায় প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার করে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায় । আরো ৩৬ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বায়রার মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন গতকাল শনিবার এতথ্য জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া সরকার এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি স্বল্প অভিবাসন ব্যয়ের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে ছিলেন। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিতে দালাল চক্রসহ সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অনলাইন (এসপিপিএ) প্রক্রিয়ায় দালাল চক্রের হাত বদল হয়ে একজন কর্মীকে ভিটেমাটি বিক্রি ও ঋণ করে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যয় করে মালয়েশিয়ায় যেতে হচ্ছে। বিএমই’িট’র সূত্র জানায়, গত ১০ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রান্তিক ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরিজমের মাধ্যমে ১শ’৪৩জন কার্গো ওর্য়াকার ও প্লানটেশন ওয়ার্কার, আইএসএমটি হিউম্যান রির্সোস লিমিটেডের মাধ্যমে ২শ’৯৩জন কার্গো ও ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার, রাব্বি ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ১শ’২০জন কার্গো ওয়ার্কার ও ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার, আল-ইসলাম ওভারসীজের মাধ্যমে ১শ’ ৩৪জন কার্গো ওয়ার্কার, ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও প্লানটেশন ওয়ার্কার, প্যাসেজ এসোসিয়েটসের মাধ্যমে ১শ’ ৩জন কার্গো ওয়ার্কার ও ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার, আমিন ট’্যরস এন্ড ট্রাভেলসের মাধ্যমে ৩শ’ ৯৫জন ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও প্লানটেশন ওয়ার্কার, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ১শ’ ৭৭ ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও কার্গো ওয়ার্কার, সনজরী ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ৬জন ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার এবং ইউনিক ইর্স্টান (প্রাঃ) লিমিটেডের মাধ্যমে ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও ক্লিনারকে মালয়েশিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে।

বায়রার মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন ইনকিলাবকে বলেন, দশটি এজেন্সি’র মাধ্যমে জিটুজি প্লাস অনলাইন প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণে দিন দিন গতি বাড়ছে। চলতি মাসে ৩৬ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আগামী জুন মাস থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাবে। এক প্রশ্নের জবাবে বায়রার মহাসচিব বলেন, শিগগিরই বায়ো রিক্রুটম্যানের মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে। এ জন্য জনপ্রতি অভিবাসন ব্যয় ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা ধার্য্য করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ প্রস্তাব পাশ হলে একজন কর্মী উল্লেখিত টাকা ব্যাংকে জমা দিবেন এবং জেলা কর্মসংস্থান অফিসগুলো তা’ তদারকি করতে পারবে। এতে দালালদের নির্ভরতা কমে আসবে এবং প্রতারণা হ্রাস পাবে। কেউ মালয়েশিয়ায় যাওয়ার যোগ্য না হলে সে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই ব্যাংক থেকে জমাকৃত টাকা তুলে নিতে পারবেন। কেয়া ট্রাভেলসের সিইও মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন ইনকিলাবকে বলেন, মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো’র জন্য উন্মুক্ত করা হলে একজন কর্মী মাত্র দেড় লাখ টাকায় মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পেতো। তিনি বলেন, জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরনের শুরুতে মাত্র ৩৭ হাজার টাকায় কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন বায়রার নেতৃবৃন্দ । বর্তমানে ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা ব্যয় করে মালয়েশিয়া থেকে কর্মীর চাহিদা কিনে আনতে হয়। এর পর দশ এজেন্সি কর্মী প্রেরণে প্রক্রিয়া বাবদ কোন হিসেবে দ’ুলাখ টাকা করে দাবী করছে তা’ বোধগম্য নয়। এসব বিষয় দেখার কেউ নেই। তিনি মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে অভিবাসন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এদিকে, জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরুর পর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়িত করতে গিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সি’র মালিকদের চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। চাহিদাপত্র সত্যায়িত করার আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানী পরিদর্শন করতে গিয়ে রিপোর্ট সন্তোষজন হবার পরেও ঘুষের জন্য ফাইল মাসের পর মাস আটকে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জনশক্তি রফতানি কারক ইনকিলাবকে বলেন, কোনো আপত্তি না থাকার পরেও কোম্পানী ভিজিট করার দেড় দু’মাসেও ফাইলে সত্যায়ন দিচ্ছে না।
শামসুল ইসলাম :

জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত দশ রিক্রুটিং এজেন্সি’র মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় গমনেচ্ছু কর্মীদের কাছ থেকে গলাকাটা হারে টাকা আদায় করা হচ্ছে। জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় প্রথমে মাত্র ৩৭ হাজার টাকা ব্যয়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ডাক-ঢোল পেটানো হলেও বর্তমানে কর্মীদের চড়া অভিবাসন ব্যয়ের টাকা জোগাড় করতে গলদঘর্ম পোহাতে হচ্ছে। একাধিক জনশক্তি রফতানিকারক এতথ্য জানিয়েছেন। শিগগিরই মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে দশটি এজেন্সি’র মাধ্যমে বায়ো রিক্রুটিং পদ্ধতি চালু করা হলে একজন কর্মীকে ব্যাংকের মাধ্যমে ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা জমা দিয়ে মালয়েশিয়ায় যেতে হবে।আগামী জুন মাস থেকে প্রতিমাসে কমপক্ষে ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে বলে আভাস পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিকে মালয়েশিয়া থেকে কর্মী নিয়োগের প্রতি চাহিদাপত্র কিনে আনতে তিন হাজার রিংগিট ব্যয় করতে হচ্ছে। বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সি’ মালয়েশিয়া থেকে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের অনুমতিপত্র কিনে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। দশটি রিক্রুটিং এজেন্সি’র কাছে এসব চাহিদাপত্র প্রক্রিয়া করতে গেলে জনপ্রতি দু’লাখ টাকা করে দাবী করা হচ্ছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে দর কষাকষি হচ্ছে। এতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন ব্যয় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে যে এসব দেখার কেউ নেই।

দীর্ঘ নয় বছর মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানি বন্ধ থাকার পর গত ১০ মার্চ থেকে গুটি কয়েক রিক্রুটিং এজেন্সি’র মাধ্যমে জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হয়। ১০ মার্চ থেকে এযাব ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি’র মাধ্যমে ১৪শ’ ৯২জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছে । চলতি মাসে ৩ হাজার কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়। আগামী জুন মাস থেকে এ প্রক্রিয়ায় প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার করে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায় । আরো ৩৬ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বায়রার মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন গতকাল শনিবার এতথ্য জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া সরকার এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি স্বল্প অভিবাসন ব্যয়ের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে ছিলেন। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিতে দালাল চক্রসহ সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অনলাইন (এসপিপিএ) প্রক্রিয়ায় দালাল চক্রের হাত বদল হয়ে একজন কর্মীকে ভিটেমাটি বিক্রি ও ঋণ করে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যয় করে মালয়েশিয়ায় যেতে হচ্ছে। বিএমই’িট’র সূত্র জানায়, গত ১০ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রান্তিক ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরিজমের মাধ্যমে ১শ’৪৩জন কার্গো ওর্য়াকার ও প্লানটেশন ওয়ার্কার, আইএসএমটি হিউম্যান রির্সোস লিমিটেডের মাধ্যমে ২শ’৯৩জন কার্গো ও ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার, রাব্বি ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ১শ’২০জন কার্গো ওয়ার্কার ও ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার, আল-ইসলাম ওভারসীজের মাধ্যমে ১শ’ ৩৪জন কার্গো ওয়ার্কার, ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও প্লানটেশন ওয়ার্কার, প্যাসেজ এসোসিয়েটসের মাধ্যমে ১শ’ ৩জন কার্গো ওয়ার্কার ও ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার, আমিন ট’্যরস এন্ড ট্রাভেলসের মাধ্যমে ৩শ’ ৯৫জন ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও প্লানটেশন ওয়ার্কার, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ১শ’ ৭৭ ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও কার্গো ওয়ার্কার, সনজরী ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ৬জন ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার এবং ইউনিক ইর্স্টান (প্রাঃ) লিমিটেডের মাধ্যমে ফ্যাক্টরী ওয়ার্কার ও ক্লিনারকে মালয়েশিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে।

বায়রার মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন ইনকিলাবকে বলেন, দশটি এজেন্সি’র মাধ্যমে জিটুজি প্লাস অনলাইন প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণে দিন দিন গতি বাড়ছে। চলতি মাসে ৩৬ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আগামী জুন মাস থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাবে। এক প্রশ্নের জবাবে বায়রার মহাসচিব বলেন, শিগগিরই বায়ো রিক্রুটম্যানের মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে। এ জন্য জনপ্রতি অভিবাসন ব্যয় ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা ধার্য্য করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ প্রস্তাব পাশ হলে একজন কর্মী উল্লেখিত টাকা ব্যাংকে জমা দিবেন এবং জেলা কর্মসংস্থান অফিসগুলো তা’ তদারকি করতে পারবে। এতে দালালদের নির্ভরতা কমে আসবে এবং প্রতারণা হ্রাস পাবে। কেউ মালয়েশিয়ায় যাওয়ার যোগ্য না হলে সে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই ব্যাংক থেকে জমাকৃত টাকা তুলে নিতে পারবেন। কেয়া ট্রাভেলসের সিইও মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন ইনকিলাবকে বলেন, মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো’র জন্য উন্মুক্ত করা হলে একজন কর্মী মাত্র দেড় লাখ টাকায় মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পেতো। তিনি বলেন, জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরনের শুরুতে মাত্র ৩৭ হাজার টাকায় কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন বায়রার নেতৃবৃন্দ । বর্তমানে ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা ব্যয় করে মালয়েশিয়া থেকে কর্মীর চাহিদা কিনে আনতে হয়। এর পর দশ এজেন্সি কর্মী প্রেরণে প্রক্রিয়া বাবদ কোন হিসেবে দ’ুলাখ টাকা করে দাবী করছে তা’ বোধগম্য নয়। এসব বিষয় দেখার কেউ নেই। তিনি মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে অভিবাসন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এদিকে, জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরুর পর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়িত করতে গিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সি’র মালিকদের চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। চাহিদাপত্র সত্যায়িত করার আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানী পরিদর্শন করতে গিয়ে রিপোর্ট সন্তোষজন হবার পরেও ঘুষের জন্য ফাইল মাসের পর মাস আটকে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জনশক্তি রফতানি কারক ইনকিলাবকে বলেন, কোনো আপত্তি না থাকার পরেও কোম্পানী ভিজিট করার দেড় দু’মাসেও ফাইলে সত্যায়ন দিচ্ছে না।

ইনকিলাব