১০ নং মহাবিপদ সংকেত জারি

2
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ১০ নং মহাবিপদ সংকেত জারির পরও মোংলায় এখনও আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি দুর্গতরা। তবে দুর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে জোর করে নেওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত মান্নান।

ইউএনও রাহাত মান্নান বলেন, ‘আমরা এখন বের হচ্ছি দুর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা চালাবো।’ তবে একটি প্রস্তুতি সভা ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। পৌর কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে দুর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে দফায় দফায় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হলেও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি।

এ প্রসঙ্গে ইউএনও রাহাত মান্নান বলেন, আমরা এখন বের হচ্ছি। দুর্গতদের জন্য ৫ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে সেগুলো বিতরণ করা হবে। ‘মহাবিপদ সংকেত জারি হলেও এখনো সব জায়গায় তিনটির মধ্যে বিপদ সংকেতের একটি পতাকা উড়তে দেখা যায়। এতে করে জনসাধারণের মধ্যে নানা রকম বিভ্রান্তের সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ লোকজন বুঝতে পারছে না আসলেই কত নম্বর বিপদ সংকেত চলছে।’

এদিকে ১০ নং মহাবিপদ সংকেতের পর সকল প্রস্তুতি নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে পশুর চ্যানেলে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। রাত থেকে পণ্য ওঠানামা ও জাহাজ আগমন নির্গমন বন্ধ রয়েছে।

বন্দরের উদ্ধারকারী জাহাজ এম টি ‘সুন্দরবন’ , এম টি শিপসা ও এমটি অগ্নিপ্রহরী এবং কোস্টগার্ডের সিজিএস কামরুজ্জামান, মুনসুর আলী, স্বাধীন বাংলা, সোনার বাংলা ও অপরাজেয় বাংলা নামে পাঁচটি উদ্ধারকারী জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে উদ্ধার তৎপরতার জন্য।