সিরিয়ায় সরকারী বাহিনী-আইএস তীব্র লড়াই

3

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসলামী স্টেট জঙ্গিরা উত্তর সিরিয়ার দুটি শহর লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। তারা সরকারি সৈন্যদের সেখান থেকে হটিয়ে দিয়ে অঞ্চলের প্রধান শহর হাস্কাকার শহরতলী এলাকাগুলো দখল করে নিয়েছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বলছে জঙ্গিরা মানুষজনকে তাদের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেছে এবং মানুষজনকে হত্যার খবরও পাওয়া গেছে।

কোবানি শহরেও তুমুল লড়াই হচ্ছে। সেখানে আই এস বন্দুকধারীরা শহর কেন্দ্রে ঢোকার জন্য কুর্দি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করছে।

হাস্কাকার হচ্ছে সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শহর। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের এই শহরে সিরিয়ার অন্যান্য এলাকা থেকে পালিয়ে আসা বহু মানুষও আশ্রয় নিয়েছে।

ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা গত কয়েকমাস ধরেই এই শহরটি দখলের চেষ্টা করছিল। এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে যে এই শহরটির বেশ কিছু অংশ তারা দখল করে নিয়েছে।

অন্যদিকে তুর্কী সীমান্তের কাছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর কোবানির ওপরও তারা নতুন করে হামলা চালাতে শুরু করেছে।

মাত্র কয়েকমাস আগে এক তীব্র লড়াইয়ের পর এই কোবানি ছেড়ে পিছু হটেছিল ইসলামিক স্টেট।

কিন্তু কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য ইসলামিক স্টেট আবারও মরিয়া। আজ তারা দুটি গাড়ী বোমা দিয়ে সেখানে কুর্দি প্রতিরোধ বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা চালায়।

এতে অন্তত তিরিশ জন নিহত হয়। এই হামলা তুর্কী সীমান্তের দিক থেকে চালানো হয়েছে কিনা সে প্রশ্ন উঠেছে।

যদি সত্যিই তাই হয়ে থাকে, কিভাবে তুরস্কের ভেতরে ঢুকে ইসলামিক স্টেট এরকম হামলা চালাতে পারলো, সে প্রশ্নও উঠছে।

ইসলামিক স্টেট সিরিয়ায় এখন পিছু হটছে বলে যারা ধারণা করছিলেন, কোবানির ওপর তাদের সর্বশেষ এই হামলার পর তাদের সেই ধারণা ভুল বলে প্রমাণিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জঙ্গি গোষ্ঠী এখনো কতটা সামরিক শক্তি রাখে, কোবানির ওপর তাদের সর্বশেষ হামলা তারই প্রমাণ।