বীমা অ্যাসোসিয়েশনে কোম্পানির এমডিদের রাখা নিয়ে মতবিরোধ

0

প্রবাসীকণ্ঠ নিউজ : বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান কিংবা শেয়ারহোল্ডার পরিচালকরা। এই সংগঠনে কোম্পানির এমডিদের সদস্য হিসেবে রাখা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়। কেননা, ইতোমধ্যে বীমা কোম্পানির এমডিদের জন্য বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআএএফ) নামে পৃথক একটি সংগঠন হয়েছে।
অন্যদিকে অ্যাসোসিয়েশনের অন্য অংশটি বিআইএ বিভিন্ন বীমা কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে এমডিদের রাখা বিষয়ে তদবির করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের সন্তানরা বীমা কোম্পানির এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এমন কয়েকটি কোম্পানি থেকেই মূলত এমডিদের বীমা অ্যাসোসিয়েশনে রাখার পক্ষে কাজ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি বিশেষ ইজিএম’র মাধ্যমে সংশোধনী এনে বিআইএ কোনো কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) যাতে থাকতে না পারেন, সেজন্য গঠনতন্ত্র সংশোধন করে ইজিএম’র তারিখও ঘোষণা করেছিল। কিন্তু এমডিদের সংগঠনে রাখার পক্ষের অংশটি আদালতের শরণাপন্ন হলে ইজিএম করে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা থেকে সরে আসে ওই অংশটি।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি শেখ কবির হোসেন সকালের খবরকে বলেন, বিআইএ কোম্পানির এমডিরা থাকবেন কি না তা নিয়ে কম-বেশি আলোচনা হচ্ছে এটা সত্য। যদিও বিআইএ’র বর্তমান আর্টিক্যালস অব মেমোরেন্ডাম অনুযায়ী কোম্পানির এমডিদের অ্যাসোসিয়েশনে থাকতে কোনো বাধা নেই।
অন্যদিকে বিআইএ’র সহ-সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু সকালের খবরকে বলেন, বিআইএ হল কোম্পানির অ্যাসোসিয়েশন। কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে বোর্ড চেয়ারম্যান, পরিচালক, এমডি যাকে পাঠান সেই আসবে। এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি বলেন, বীমা কোম্পানির এমডিদের একটা সংগঠন আছে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম। সংগঠনটি শুধু এমডিদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করবে। তারা ট্রেডবডি নয়। এটা একটা সমবায় সমিতির মতো। বিপরীতে বিআইএ হল ৭৩টি কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতিনিধিত্বকারী একটা ট্রেডবডি। এ নিয়ে আমাদের মাঝে কোনো বিরোধ নেই, তবে একটা অংশ পরিকল্পিতভাবে বিরোধ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।সূত্র কালের কণ্ঠ