নিউইয়র্কে ৩ দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু বইমেলা’ সেপ্টেম্বরে

3
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন আহ্বায়ক কবি মিশুক সেলিম। ছবি : এনআরবি নিউজ।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে নিউইয়র্কে ‘বঙ্গবন্ধু বইমেলা’ আগামী ২০-২২ সেপ্টেম্বর জ্যাকসন হাইটসে পিএস ৬৯ এর মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে। ৩ দিনব্যাপী এই মেলা প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।

এই মেলায় বঙ্গবন্ধু তথা বাংলাদেশ বিষয়ক বই-পত্রের প্রদর্শনী, বিক্রি ছাড়াও থাকবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও গানের অনুষ্ঠান। আর এটি হচ্ছে আগামী বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীর ওয়ার্মআপ অনুষ্ঠান। কারণ, আসছে ১৭ মার্চ জাতিরজনকের জন্মদিন থেকেই শুরু হবে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি সুদূর এই আমেরিকাতেও।

এসব তথ্য জানাতে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রস্থ ‘মুজিব বর্ষ উদযাপন পরিষদ’র সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জ্যাকসন হাইটসে তিতাস পার্টি হলে সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য উপস্থাপনকালে সদস্য-সচিব নূরল আমিন বাবু জানান, ‘নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু পাঠাগার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য তহবিল সংগ্রহ করা হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত প্রবাসীদের কাছে থেকে’।

এছাড়া প্রবাস প্রজন্মে বাঙালি জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর জীবন-ইতিহাস যথাযথভাবে প্রচারের উদ্যোগও থাকবে বছরব্যাপী কর্মসূচিতে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি এবং যারা এখনও বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না-তেমন মহলের সংঘবদ্ধ ইতিহাস-বিকৃতির প্রচেষ্টাকে শক্তহাতে রুখে দিতে এই সংগঠন সোচ্চার থাকবে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের সাথে নিয়ে।

নূরুল আমিন বাবু আরও উল্লেখ করেন, নিউইয়র্কের পাবলিক স্কুল ও লাইব্রেরিসমূহে বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস সংযোজিত করার জন্যেও তারা কাজ করবেন।

উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কবি মিশুক সেলিম, বইমেলার আহ্বায়ক আবু রায়হান ছাড়াও এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মুজিব বর্ষ উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা কণ্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায়, মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, নাট্যাভিনেতা মুজিব বিন হক।

উল্লেখ্য, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মিশন, নিউইয়র্ক কন্স্যুলেটও বিস্তারিত কর্মসূচি নেবে। এছাড়া আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামসহ কয়েকটি সংগঠনও এ উপলক্ষে বড় ধরনের কর্মসূচি নেবে। নিউইয়র্কে সেন্ট্রাল পার্ক, ইউনিয়ন স্কোয়ার, টাইমস স্কোয়ার, জাতিসংঘের সামনে জন্মবার্ষিকীর উৎসব হতে পারে। অর্থাৎ পুরো বছর ধরেই চলবে অনুষ্ঠানমালা, যা যুক্ত হবে ২০২১ এ বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবে।