একদিনে দুই রোহিঙ্গাসহ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

4

কক্সবাজারের টেকনাফে দুই রোহিঙ্গাসহ একদিনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে । কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ শামলাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি-২ টেকনাফের হোয়াইক্যং ক্যাম্পের ইনচার্জ ও সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হোসাইন শরীফের ছেলে আবুল হাসিম (৩০) এবং একই ক্যাম্পের শামসুল আলমের ছেলে মোহাস্মদ আয়ুব (৪০)। র‌্যাবের দাবি, তারা দু’জনই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। শাহ আলম জানান, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ শামলাপুর এলাকায় একটি ইয়াবা চালান পাচার হচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় অস্ত্রধারী ইয়াবা ব্যবসায়ীরা উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। বেশ কিছুক্ষণ গুলি বিনিময়ের পর ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় র‌্যাবের তিন সদস্য আহত হন। পরে মাদক কারকারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার ইয়াবা, ২টি দেশীয় অস্ত্র, ৫ রাউন্ড কার্তুজ ও ৬ রাউন্ড কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আবুল হাসিম ও মো. আয়ুবকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ফরিদপুর : ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এনায়েত হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ ভোরে উপজেলার বারানখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, নিহত এনায়েত হোসেন বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ডাকাত সর্দার ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ ও ডাকাতিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বোয়ালমারী থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।